রূপায়নের পুকুরচুরি, পরিবেশ অধিদপ্তরের লুকোচুরি

রাজধানীর রায়েরবাজারের ঐতিহ্যবাহী পটারি পুকুর অবৈধভাবে দখল ও ভরাটের অভিযোগে আবাসন প্রতিষ্ঠান রূপায়ণকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করে ‘বিপাকে পড়েছে’ পরিবেশ অধিদপ্তর। একদিকে ক্ষমতাবান এই আবাসন প্রতিষ্ঠানের চাপ আবার অন্যদিকে পরিবেশবাদী ও স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে পিছুও হটতে পারছে না তারা। জরিমানা করার পর প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও জরিমানার টাকা পরিশোধ করেনি রূপায়ণ। পুকুর ভরাটের কারণে দেশের এ যাবতকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জরিমানার ঘটনাটি নিয়ে মিডিয়াকেও এড়িয়ে যাচ্ছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, রূপায়ণের মতো একটি বড় প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শুনানির রায় দিতে গিয়েই অনেক চাপের ওপর থাকতে হয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার যোগাযোগ করলে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (ঢাকা মহানগর) সুকুমার বিশ্বাস পরিবর্তন ডটকমকে পুকুর ভরাটের অভিযোগে রূপায়ণকে জরিমানার কথা স্বীকার করেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি না হয়ে এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক আবু হেনা মোরশেদ জামানের সাথে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেন।

তবে আবু হেনার ব্যক্তিগত সহকারী রিয়াজুল ইসলাম জানান, গত ২৮ মার্চ রূপায়ণকে জরিমানা করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে পটারি পুকুরটিকে আগের অবস্থায় এনে দেওয়ার জন্যে রূপায়ণকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবু হেনার পিএস নিশ্চিত করেন যে, রূপায়ন এখনও কোনও জরিমানার  টাকা জমা দেয়নি।

আপনার মন্তব্য দিন

আপনার ই-মেইল এড্রেস প্রকাশ হবে না। Required fields are marked *